Writer : Umesh Chandra Batabyal
- Shipping Time : 10 Days
- Policy : Return/Cancellation?
You can return physically damaged products or wrong items delivered within 24 hours with photo/video proof.
Contact Customer Support for return initiation and receive return authorization via email. Securely package for return.
Refunds for eligible returns are processed within 7-10 business days via Bank Transfer.
Order cancellation allowed within 24 hours of placing it. Standard policy not applicable for undamaged/wrong product cases. Detailed info. - Genre : Essays>Personality Analysis
- Publication Year : 2026
- ISBN No : NA
- Binding : Paste Board (Hard) with Gel Jacket
- Pages : 178
- Weight : 499 gms
- Height x Width x Depth : 8.5x5.5x0.5 Inch
If so, it will be notified
About the Book
- শ্রীচৈতন্য কি কেবলই অলৌকিক অবতার, নাকি চরম দারিদ্র্য আর অরাজকতার মাঝে লড়াই করা এক রক্তমাংসের মানুষ ?
- পঞ্চদশ শতাব্দীর পতনশীল, মুসলিম শাসনে পিষ্ট হিন্দু সমাজকে বাঁচাতে তিনি কি কেবলই এক অবতার হয়ে নেমে এসেছিলেন, নাকি তাঁর উত্থান ছিল ইতিহাসের এক অনিবার্য মনস্তাত্ত্বিক পরিণতি ?
- ঊনবিংশ শতাব্দীর যুক্তিবাদী গবেষক উমেশচন্দ্র বটব্যালের কলমে চৈতন্য-জীবনী কেমন ছিল ?
- আজকের দিনে দাঁড়িয়ে কেমনভাবে দেখা উচিত, পড়া উচিত সেই চৈতন্য-জীবনী ?
ভক্তি আর অলৌকিকতার যে নিশ্ছিদ্র আবরণে শত শত বছর ধরে ঢাকা ছিল শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যের জীবন, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এসে সেই আবরণ প্রথম সরিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন উমেশচন্দ্র বটব্যাল। তিনি চৈতন্যদেবকে কেবল এক অবতার হিসেবে মানতে নারাজ ছিলেন; তাঁর চোখে এই মানুষটি ছিলেন চরম দারিদ্র্য আর অরাজকতার মাঝে লড়াই করা এক রক্তমাংসের মানুষ — নরোত্তম !
‘গৌরাঙ্গ-চরিত’ কেবল কয়েকটি ধ্রুপদী প্রবন্ধের সংকলন নয়; বাংলার রেনেসাঁস বা নবজাগরণের সেই উত্তাল সময়ের এক প্রামাণ্য দলিল এই প্রবন্ধমালা, যেখানে যুক্তির সাথে ভক্তির, আর ইতিহাসের সাথে আবেগের এক অভাবনীয় বৌদ্ধিক লড়াই লুকিয়ে আছে। ইতিহাসবিদ, ধর্মতাত্ত্বিক থেকে শুরু করে সাধারণ পাঠক, যাঁরা স্তুতিসাহিত্যের আড়ালের আসল সত্যটি জানতে চান, তাঁদের জন্য এই বইটি এক অবশ্য পাঠ্য। ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বিশিষ্ট চিন্তক-গবেষক উমেশচন্দ্র বটব্যাল-এর 'গৌরাঙ্গ-চরিত', নীলাঞ্জন হালদার-এর সম্পাদনায় বর্তমান সময়ের নিরিখে বইটির গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বইটির শুরুতে সম্পাদক নীলাঞ্জন হালদার আত্মপক্ষ সমর্থনে জানিয়েছেন, "আজকের এই একুশ শতকে, যখন আমাদের পড়ার অভ্যাস ক্রমশ কমে আসছে এবং ধৈর্য হারিয়ে আমরা চটজলদি তথ্য খুঁজছি, তখন প্রায় শতাব্দী-প্রাচীন এই প্রবন্ধ সংকলনটি প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের একটু পিছন ফিরে তাকাতে হবে এবং আধুনিক বাঙালি মননের একটি বড় সংকটকে বুঝতে হবে। আমরা আধুনিকতার নামে আমাদের ইতিহাস, আমাদের শিকড় এবং আমাদের নিজস্ব বৌদ্ধিক পরম্পরাকে ভুলতে বসেছি। শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য কেবল একজন ধর্মীয় গুরু ছিলেন না, তিনি ছিলেন রেনেসাঁস-পূর্ব বাংলার সবচেয়ে বড় সমাজ-সংস্কারক এবং একটি যুগান্তকারী মানসিক বিপ্লবের স্থপতি। এই বইটিতে সেই মানুষটির জীবনের এমন কিছু বাস্তব, বস্তুনিষ্ঠ এবং ঐতিহাসিক দিক তুলে ধরা হয়েছে, যা আজকের দিনের ধর্মান্ধতা এবং অসহিষ্ণুতার যুগে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। একটি জাতির মানসিক বিবর্তনের দলিল এই বইতে সংরক্ষিত প্রবন্ধগুলি। এখানে একইসাথে উনিশ শতকের বিকল্পভাবনার ভাবুক উমেশচন্দ্রের প্রবন্ধগুলি যেমন রয়েছে, তেমনই পরিশিষ্ট অংশে ওই একই পত্রিকায় প্রকাশিত চৈতন্য বিষয়ক অপর একটি প্রবন্ধও রাখা হচ্ছে। যাতে দুই ভাবনা-প্রবাহের দুটি স্বাধীন অবস্থান সম্পর্কে পাঠক সচেতন হতে পারেন।"
আবিষ্কার করুন সেই লড়াকু, ধুলোমাখা ‘মানুষ’ চৈতন্যকে, যাঁকে এতদিন আপনি কেবল ‘দেবতা’ হিসেবেই চিনে এসেছেন !
